মুফতি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

0
22

ধর্মীয় অনুভূতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর আঘাত সৃষ্টির অভিযোগে বিতর্কিত মাওলানা দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুফতি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরীর বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস-সামছ জগলুল হোসেন খারিজ আদেশ দেন।

তাহেরীকে নিয়ে কালের কণ্ঠের সাক্ষাৎকার পড়ুন কথাগুলো কুরআন সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক নয়, স্লিপ অব টাঙ : তাহেরী

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত উপাদান নেই বিধায় মামলা খারিজ করা হয়। ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য মো. ইব্রাহিম খলিল বাদী হয়ে গত রবিবার মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বাদী বলেন, ইসলামের নামে ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তাহেরী বেশ কিছুদিন ধরে অনৈসলামিক কার্যকলাপে লিপ্ত। তিনি ওয়াজমাহফুলে নেচে-গেয়ে ওয়াজ করেন। ইসলাম ধর্মের পথ প্রদর্শক হজরত মুহম্মদ (সা.) এর আদর্শ ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ওয়াজ মাহফিলের মধ্যে নাচ-গান সমর্থন করে না। ইসলামের রীতিনীতি অনুযায়ী মুফতি তাহেরীর কর্মকান্ড মুনাফেকির শামিল। ওয়াজের মধ্যে গান গাওয়া ইসলাম সমর্থন করে না। এক ব্যক্তির উক্তি দিয়ে তার বিড়ি খাওয়ার দোয়াটিও ইসলামের কোথাও নেই। তার এসব বক্তব্যে ইসলাম ধর্মকে ব্যঙ্গ ও অবমাননা করা হয়েছে।

‘বসেন বসেন বইসা যান, ঢেলে দিই’ এসব বাক্য ওয়াজে ব্যবহার করা হয়, যা সম্পূর্ণ অশ্লীল। ইসলাম ধর্মে এ রকম শব্দের উল্লেখ নেই। কিছু কিছু ইউটিউবারকে তিনি ধান্দাবাজ বলেও উল্লেখ করেন।

মামলায় বলা হয়েছে, আসামি তাহেরীর এসব কর্মকাণ্ড ইসলামে বিদ’আত বলে গণ্য। তিনি ইসলাম ধর্মেও অপপ্রচারকারী। ইউটিউব, ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় তার প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায় তিনি ওয়াজের মধ্যে নাচ, গান করেন। ভক্তদের নিয়ে জিকিরের নামে নাচ-গান করেন, যা ধর্মীয় অনুভূতি বা মূল্যবোধের ওপর আঘাত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here