ট্র্রাম্পই এখন মাস্কের পক্ষে, হোয়াইট হাউসে পরার নির্দেশ

0
182

করোনার এই কঠিন সংকটে বিভিন্ন সময়ে মাস্ক না পরে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। সেই ট্রাম্পই তাঁর কার্যালয় ও বাসভবন হোয়াইট হাউসের সব কর্মীকে এখন থেকে মাস্ক পরার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসেও হানা দিয়েছে করোনা। সম্প্রতি ওয়েস্ট উইংয়ের দুই সহযোগীর দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় নতুন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলেন ট্রাম্প। সোমবার এক নির্দেশনায় হোয়াইট হাউসের কর্মীদের ওয়েস্ট উইংয়ে প্রবেশের সময় মাস্ক পরতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কর্মীদের নিজ নিজ ডেস্কে বসে কাজ করার সময় ছাড়া বাকি সব সময় মুখে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। ডেস্কে কাজ করার সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

ট্রাম্পের একজন ব্যক্তিগত কর্মচারী ও পেন্সের এক সহযোগী কোভিড–১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। ট্রাম্পের ওই কর্মচারী ওয়েস্ট উইং প্রেসিডেন্টের খাবার দেওয়ার কাজ করেন। তাঁর করোনার সংক্রমণের ঘটনায় ট্রাম্প মাস্কের বিষয়ে এতটা আগ্রহী।

অবশ্য সোমবার রোজ গার্ডেনে সংবাদ সম্মেলনে মাস্ক নিয়ে নতুন নির্দেশ দেওয়ার সময় তাঁর মুখে মাস্ক ছিল না। তিনি দাবি করেন, নিজেকে সবার কাছ থেকে দূরে রেখেছিলেন। ট্রাম্প বলেন, ‘প্রতিদিন কয়েক শ মানুষ হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করে। আমরা মনে করি এই নির্দেশনা দিয়ে আমরা ভালো কাজ করেছি।’

করোনার সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পর হোয়াইট হাউসে এ ভাইরাস মোকাবিলায় গঠিত টাস্কফোর্সের দুই সদস্য দুই সপ্তাহের জন্য স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টিনে গেছেন। তাঁদের একজন অ্যান্টনি ফৌসি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশন ডিজিজের ডিরেক্টর। করোনার এই সময়ে ব্যাপক পরিচিত মুখ।

শুক্রবার মাইক পেন্সের প্রেস সচিব ও ট্রাম্পের সহযোগী কেটি মিলারের কোভিড–১৯ পরীক্ষায় পজিটিভ আসে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের একজন ব্যক্তিগত কর্মচারী অসুস্থ হওয়ার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here